বাঁকাল হতে ইটাগাছা হাটের মোড় পর্যন্ত রাস্তার দুই ধারে মাটি না থাকায় সড়ক দূর্ঘটনা নিত্যদিনের ব্যাপার

অনলাইন ডেস্ক★★

সাতক্ষীরা ভোমরা স্থলবন্দর থেকে ছেড়ে আসা পাথরবাহী একটি ট্রাক শহরের ইটাগাছা এলাকায় একটি পরিবহনকে সাইড দিতে গিয়ে ট্রাকটি মুহুতেই উল্টে স্থানীয় এক প্রতিবন্ধির খুপড়ি ঘরের উপর পড়ে। অবশ্য সে সময় ঘরে কেউ ছিলো না। বুধবার রাত সাড়ে ৮ টার দিকে শহরের ইটাগাছা এলাকার ইয়ামাহা শো-রুমের সামনে প্রধান সড়কে এই দূর্ঘটনা ঘটে। সড়কের বর্ধিত অংশ না থাকায় ও মাটি শুন্য ধার হওয়ায় এই দূর্ঘটনা হয়েছে বলে দাবী স্থানীয়দের।
কোন হতা হতের ঘটনা না ঘটলেও আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে রাস্তার দুই ধারের বাসিন্দারা। এই ধরনের ঘটনা প্রায়ই তাদের সামনে ঘটে। ঘটনার পরপরই ইটাগাছা পুলিশ ফাঁড়ি ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এর আগেই ট্রাক ড্রাইভার ও হেলপার কে স্থানীয়রা উদ্ধারে করে। দূর্ঘটনা কবলিত ট্রাকের নাম্বর( সাতক্ষীরা-শ-১১-০০৫৯)। স্থানীয়রা দূর্ঘটনা এড়াতে সড়কের সামগ্রিক বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য জেলা প্রশাসকের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
সূত্র জানায়, রাস্তার দুই ধারে মাটি না থাকায় সড়ক দূর্ঘটনা নিত্যদিনের ব্যাপারে হয়ে দাড়িয়েছে শহরের ইটাগাছা টু সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সংলগ্ন জেলে পাড়া পর্যন্ত সড়কে। প্রাণহানিসহ গুরুত্ব আহতের ঘটনা বাড়তে বাড়তে এখন এই ২ কিলোমিটার সড়ক বিপদ জনক সড়কে পরিণত হয়েছে। এর কারণ হিসাবে স্থানীয়রা জানিয়েছেন, সাতক্ষীরা কালিগঞ্জ সড়ক ৩২ ফিটের রাস্তা ক্রমশ চিকন হয়ে ইটাগাছা টু জেলে পাড়া এই পর্যন্ত সড়ক মাত্র ১৮ ফিট। রাস্তার দুই ধরে জায়গা নেই। ঠিকাদার মাটি পর্যন্ত দেই নি। আর বিদ্যুতের খুটি ফেলে রেখে রাস্তাকে করা হয়েছে সংকীর্ণ। এর ফলে এই সড়কে দূর্ঘটনা নিত্যদিনের ব্যাপার হয়ে দাড়িয়েছে। এদিকে সড়ক ও জনপদ বিভাগ সাতক্ষীরা নিরব ভূমিকা পালন করছে। স্থানীয়রা জানায়, আর কত মৃত্যু হলে, আর কত মানুষ আহত হলে এই সড়কের ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এব্যাপারে ইটাগাছা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মোঃ আব্দুল হালিম ও ফায়ার সার্ভিসের সদর ষ্টেশন অফিসার জানান, রাস্তার পাশে অতিরিক্ত জায়গা ও মাটি না থাকার কারনে দূর্ঘটনা হতে পারে বলে প্রাথমিক ধারনা করা হচ্ছে। প্রধান সড়কের এই ২কিঃমিঃ সড়কে প্রায়ই দূর্ঘটনা হচ্ছে।
এব্যাপারে সড়ক ও জনপদ বিভাগ সাতক্ষীরার নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, রাস্তার পার্শ্বে মাটি দেওয়ার জন্য ইতোমধ্যেই বরাদ্ধ চেয়ে সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ে একটি আবেদন করেছি।
এব্যাপারে জেলা প্রশাসকের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সাতক্ষীরার সচেতন মহল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *